1. alamgirtekcip@gmail.com : allinonelogin :
  2. engg.robel.seo@gmail.com : Beautiful Bangladesh :
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০, ০৬:১৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
টেকনাফ পৌরসভার নির্মাণাধীন ড্রেনের উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করেন : মেয়র হাজ্বী মোহাম্মদ ইসলাম টেকনাফে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন টেকনাফে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ ৩জন আটক টেকনাফে ভাইয়ের হাতে বোন খুন শিক্ষককে দেখেই পা ছুঁয়ে সালাম করলেন তথ্যমন্ত্রী সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রীসহ দুদকের জালে ৮ এমপি আগামী নির্বাচনে প্রমাণ হবে চকরিয়া পৌরসভার মাটি শেখ হাসিনার ঘাঁটি- মেয়র আলমগীর চৌধুরী টেকনাফ প্রেসক্লাবের জরুরী সভায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত শহীদ পরিবার নিয়ে বক্তব্যের বিভ্রান্তি অপসারণ করলেন হামিদুল হক চৌধুরী নুরুল হুদা আহবায়ক ও আনিস সদস্য সচিব – ঈদগাঁও সাংগঠনিক উপজেলা ছাত্রদলের কমিটি অনুমোদন

ঈদের ছুটিতেও পর্যটকশূণ্য শাহপরীর দ্বীপ জেটি ঘাট

  • আপডেট টাইম বৃহস্পতিবার, ১৫ আগস্ট, ২০১৯
  • ৩৪৫ নিউজটি পড়া হয়েছে

শাহ মুহাম্মদ রুবেল, কক্সবাজার।

পর্যটকশূণ্য শাহপরীর দ্বীপ জেটি ঘাট (ছবি: দৈনিক অধিকার)
দীর্ঘ দেড় কিলোমিটার বিশাল লম্বা জেটি দেখতে অনেক সুন্দর। জেটি থেকে মায়ানমারের পাহাড় ও ঘরবাড়ী দেখা যায়। বোটে করে মায়ানমার থেকে গরু, চাউল ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস এনে জেটিতে তুলে। জেটির আশেপাশে নাফ নদীতে অনেক মাছ ধরার বোট ভাসমান অবস্থায় আছে।

জেটিতে দাড়িয়ে সুন্দর প্রকৃতি উপভোগ করতে পর্যটকদের বেশ দারুন লাগে। মনে হয় যেন আকাশ, পাহাড় আর পানি একসাথে ঘনিভূত। জেটির একদম শেষ প্রান্ত থেকে মায়ানমারের রোহিঙ্গাদের গ্রাম দেখা যায়। দুই বছর আগে মায়ানমারের সেনাবাহিনীরা রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতন করছিল যার কারণে সবুজ গ্রামগুলি তাদের নির্যাতন থেকে রেহাই পায়নি।

জেটির মাঝপথ দিয়ে নদী দেখতে খুব ভাল লাগে। শেষ বিকেলের দিকে আকাশের মেঘ আরো সুন্দর দেখা যায়।

মাঝে মধ্যে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে যাত্রীবাহী কতগুলো বোট দেখা যায়। নদীর মাঝখানে অনেক জেলে জাল ফেলে মাছও ধরে। ঐ এলাকার আয়ের প্রধান উৎস হল মাছ। তারা মাছ ধরে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করে। ঐ দীপে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস খুব সহজেই মিলে। স্থানীয় মানুষেরা বলেন, অন্যান্য জিনিসের সংকট হলেও মাছের সংকট একদম নেই বললেই চলে ও নদীতে জাল ফেলামাত্র মাছ পাওয়া যায়।

প্রতিবছর ঈদ মৌসুমে পর্যটকের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠলেও এবার পর্যটন এলাকা শাহপরীর দ্বীপে দেখা গেছে ভিন্ন দৃশ্য। শাহপরীর দ্বীপ জেটি ঘাটে নেই পর্যটকদের ভিড়। এতে চরম লোকসানের মুখে পর্যটন ব্যবসায়ীরা।

শুধু শাহপরীর দ্বীপ নয়, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার প্রভাবে একই অবস্থা টেকনাফের বিভিন্ন পর্যটক স্পটগুলোতে। ফলে ঈদের মৌসুমে চরম লোকসানের মুখে পড়েছে আবাসিক হোটেল-মোটেল এবং পরিবহন খাতের সংশ্লিষ্টরা।

শাহপরীর দ্বীপে প্রকৃতিকে কাছে পেতে শাহপরীর দ্বীপ জেটি ঘাটে ভিড় জমান পর্যটকরা । জেটি ঘাটে ভিড় লেগেই থাকত। কিন্তু এবার সেইসব পরিচিত জায়গা পর্যটকশূণ্য। পর্যটন ব্যবসায়ী আয়ুব বাপ্পি বলছেন, প্রতিবছর তুলনায় এবার পর্যটক কম। এতে লোকসানের মুখে পড়েছে ব্যবসায়ীরা।

যোগাযোগ ব্যবস্থা, রাস্তাঘাটের বেহাল দশা এবং প্রবল বৃষ্টির কারণে পর্যটক সমাগম হয়নি বলে মনে করেন এই খাতে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

তবে পর্যটক না থাকলেও নিরাপত্তায় তৎপর রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বছর জুড়ে পর্যটকের ভীড় লেগে থাকে।

প্রাকৃতিক দূর্যোগ কাটিয়ে প্রতিটি স্পটগুলোর পর্যটন ব্যবসা আবারো ঘুরে দাঁড়াবে এমন আশায় বুক বেঁধে আছেন ব্যবসায়ীরা।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর..