1. alamgirtekcip@gmail.com : allinonelogin :
  2. engg.robel.seo@gmail.com : Beautiful Bangladesh :
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৭:০২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
টেকনাফ পৌর এলাকার ২৬৩ জেলে পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ উদ্বোধন করলেন : পৌর মেয়র হাজ্বী মোঃ ইসলাম আল্লামা আহমদ শফী হুজুরের মৃত্যুতে টেকনাফ সদর ইউপি (ভারপ্রাপ্ত) চেয়াঃ আবু ছৈয়দের শোক! আল্লামা শাহ্ আহমদ শফি হুজুরের মৃত্যুতে টেকনাফ পৌর মেয়র হাজ্বী মোঃ ইসলামের শোক! আল্লামা শাহ্ আহমদ শফি হুজুরের ইন্তেকাল টেকনাফ পৌরসভায় মেয়র শিক্ষা বৃত্তি পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত প্রাকটিক্যাল অ্যাকশন, ব্র্যাক ও ইউএনডিপির সহযোগি তায় বিনামূল্যে জৈব সার বিতরণ করেন: মেয়র ইসলাম সাহেদ ও ভুট্রোর বিরোদ্ধে ইসালমপুর কৈলাসেরঘোনা ইজারাদারদের প্রতিবাদ সমাবেশ রোহিঙ্গাদের কারণে প্রকৃতি ও পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছেঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা   টেকনাফ ও রাঙ্গুনিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ২০ অক্টোবর আওয়ামীলীগের জেলা-উপজেলা ইউপি নির্বাচনের আগামীকাল থেকে দলীয় মনোনয়ন বিতরণ

পলাতক ইয়াবা ব্যবসায়ীরা এখন এলাকায় জমজমাট চালাচ্ছে ইয়াবা ব্যবসা

  • আপডেট টাইম সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২০
  • ১৫১ নিউজটি পড়া হয়েছে

একাত্তরের কক্সবাজার ডেক্স :: মাদক বিরুধী কঠোর অভিযানে দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে থাকা ইয়াবা ব্যবসায়ীরা আবারো এলাকায় ফিরছে বলে জানা গেছে। ইতি মধ্যে অনেক ইয়াবা ব্যবসায়ীকে এলাকায় দেখা গেছে, এছাড়া বিদেশ থেকেও অনেকে আসার জন্য পরিকল্পনা করে বাসাবাড়িতে যোগাযোগ করছে বলে জানা গেছে, এছাড়া বিভিন্ন এলাকায় থাকা খুচরা ইয়াবা ব্যবসায়ীরাও এখন অনেকটা প্রকাশ্যে আসছে বলে জানা গেছে। সচেতন মহলের মতে মেজর সিনহা হত্যার ঘটনার পর থেকে থমকে গেছে মাদক বিরুধী অভিযান বিশেষ করে পুলিশের ভুমিকা একেবারেই চোখে পড়ছে না সেই সুযোগে আবারো তৎপর হয়ে উঠেছে ইয়াবা ব্যবসায়ীরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে টেকনাফ পৌর ও সদরে অসংখ্য ইয়াবা ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ছিলনা তারা এখন আবার এলাকায় ফিরছে ইতি মধ্যে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের মেম্বার আবদুল্লাহ,জেল ফেরত মেম্বার ওমর হালিম,ডেইল পাড়া এলাকার গফুরকে এলাকায় দেখা যাচ্ছে এছাড়া গফুরের ছেলে বিদেশে থাকা শফিকও নাকি এলাকায় আসতে মানসিক ভাবে তৈরি হচ্ছে এছাড়া টেকনাফ ছাত্রদল নেতা জাহেদুল ইসলাম,
টেকনাফ জালিয়া পাড়া এলাকার আবু তাহের এর তিন ছেলে যুবদল নেতা পলাতক ইয়াবা ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, তার ভাই যুবদল নেতা বিদেশ ফেরত পলাতক ইয়াবা ব্যবসায়ী আব্দুল জব্বার, এবং বিদেশ ফেরত তাদের ভাই ইয়াবা ডন পলাতক ইয়াবা ব্যবসায়ী জিকু, আর এক ইয়াবা ডন বিদেশ ফেরত মৃত নুর হোসেন এর ছেলে পলাতক ইয়াবা ব্যবসায়ী মোহাম্মদ উল্লাহ, বাংলাদেশের হুন্ডি ও ইয়াবা সম্রাট টিটি জাফরের ছোট ভাই পলাতক ইয়াবা ব্যবসায়ী আবদুল গফুর, এবং দক্ষিণ জালিয়া পাড়া এলাকার টেকনাফ উপজেলা বিএনপি নেতা বিদেশ ফেরত মৃত মোঃ হোছন এর ছেলে পলাতক ইয়াবা ব্যবসায়ী রেজাউল করিম রেজা সহ অনেকে ইতি মধ্যে আবার এলাকায় আসতে শুরু করেছে।

এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জনপ্রতিনিধির স্বীকৃত এসব ইয়াবা গডফাদার আবার এলাকায় ফিরলে আবার ইয়াবা ব্যবসা চাঙ্গা হবে বলে মনে করছেন অনেকে। হ্নীলা এলাকা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ি মামুন জানান,পুরু ইউনিয়নে এতেদিন অন্তত ২০০ বড় ইয়াবা কারবারি এলাকা ছেড়েছিল এখন আবার অনেকে ফিরে আসছে,অনেকে স্বপরিবারে চলে গিয়েছিল ইতি মধ্যে ৫/৬টি পরিবারও ফিরে এসেছে। তারা এখন নিজেদের নির্যাতিত হিসাবে এলাকার চায়ের দোকানে বসে জোর গলায় বলছে অথচ তারা ৫ বছর আগে টমটম চালাতে এখন কোটিটাকার মালিক। এদিকে কক্সবাজার শহরতলীর দক্ষিণ মহুরীপাড়ার ইয়াবা ব্যবসায়ি কাজল দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিল তাকেও এখন এলাকা দেখা যাচ্ছে,এছাড়া সরকারি কলেজের পশ্চিমপাশে রাজু নামের একজন ইয়াবা ডিলার নতুন করে চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। এদিকে বিসিক এলাকার সব চেয়ে বড় ইয়াবাডন আবদুল খালেক এতদিন কিছুটা নিয়ন্ত্রনে থাকলেএখন আবার প্রকাশ্য এসে যাবতিয় অপরাধ কর্মকান্ড করছে। দক্ষিণ হাজী পাড়া এলাকার মহিউদ্দিন,মাহমুদুল হক সহ অনেকে আবার এলাকায় ফিরছে বলে জানা গেছে। এদিকে শহরের বিডিআর ক্যাম্প এলাকা ভেতরে বড়–য়াপাড়া টেকনাফ থেকে এসে ঘর করা ইয়াবা নিয়ে আগে জেলখাটা মুফিজ এতদিন এলাকায় কম থাকলেও এখন আবার দেখা যাচ্ছে একই সাথে সিকদার পাড়া এলাকার ইয়াবা ব্যবসায়ি ইউটুপ,আরমানদের তৎপরতা আবার বাড়ছে বলে জানান এলাকাবাসী। শহরের পাহাড়তলী,খুরুশকুল,পিএমখালী,ঝিলংজা সহ অনেক এলাকা থেকে স্থানীয় লোকজন ফোন করে ইয়াবা ব্যবসায়িরা আবার এলাকায় ফিরে আসার খবর দিচ্ছে। এ ব্যপারে কক্সবাজার আইনজীবি সমিতির সাধারণ সম্পাদক এড,জিয়া উদ্দিন আহমদ বলেন, গত ২ বছর আগে আমরা যখন কোন কাজে উখিয়া টেকনাফ যেতাম তখন রাস্তায় অন্তত ৫০০ মটর সাইকেল দেখা যেত উঠতি বয়সের তরুণের হাতে। এখন সেই পরিস্থিতি নেই এখন রাস্তায় ৫০টি মটর সাইকেলও দেখা যায়না। আগে ইয়াবার টাকার গরম যেভাবে দেখাযেত এখন সেই পরিস্থিতি নাই। তবে সম্প্রতী মেজর সিনহা হত্যার ঘটনার পর থেকে টেকনাফের সাবেক ওসি প্রদীপের ব্যাপারে যে ভয়ংকর তথ্য সামনে আসছে সেটা খুবই উদ্বেগ জনক। আমরা চাই প্রকৃত মাদক ব্যবসায়িরা আইনের আওতায় আসুক কিন্তু কোন নিরিহ মানুষ যেন হয়রানী না হয়। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে অনেক নিরিহ মানুষ হয়রানীর স্বীকার হয়েছে। চলমান ঘটনার পরে পুলিশের ভুমিকা একটু কম হওয়ায় অনেক ইয়াবা কারবারীরা উৎসাহিত হতে পারে প্রশাসনকে সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। সুজন সহ সভাপতি অধ্যাপক অজিত দাশ বলেন,এটাও সত্য অনেকে নিরীহ মানুষ হয়রানীর স্বীকার হয়েছে তবে মাদক ব্যবসায়ীরা আতংকে ছিল এটাও সত্য। সেই আতংক তাদের ভেতরে রাখতে হবে। এখন অনেকে নির্যাতনের স্বীকার হয়েছে বলে দাবী করে প্রকৃত ইয়াবা ব্যবসায়ীরা আবার সমাজে প্রতিষ্টিত হতে চাইবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..